বীরগঞ্জে জরাজীর্ণ ভবনে বাস করছে পুলিশ

dinajpur-14-150x150নুরুন্নবী বাবু দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুরে বীরগঞ্জে সরকারী পরিত্যাক্ত ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে বাস করছে থানা পুলিশ অজ্ঞাত কারনে কর্তৃপক্ষ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

১৮৯০ইং সালে বৃটিশ শাসনামলে ১৮৭টি মৌজার আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষার বৃহত্তর স্বার্থে ৭ একর সরকারী সম্পত্তিতে থানা ভবন, কোয়াটার, পুলিশ সার্কেল অফিস ও কোয়াটার নির্মান করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা উত্তর ১৯৭২ইং সালে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গনপুর্ত বিভাগ পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর পরিত্যাক্ত ঘোষনা করে । পুলিশের থানা ক্যামপাস ত্যাগ করার কোন অনুমতি না থাকার কারনে নিজ দায়িত্বে বাসা গুলো মেরামত করে বসবাস করছে। ২০০১ইং থানা ভবন নির্মান  করা হলেও কেয়াটারগুলো পরিত্যাক্ত রয়েছে। এএসপি সার্কেলের অফিস ও কোয়াটার, এবং থানার ৫টি কোয়াটার, নির্মান করা  হচ্ছে না। বর্তমানে ওসি মোঃ আরমান হোসেন (পিপিএম) এএসপি’র বাসভবনে টিন সেড তৈরী করে বসবাস করছেন। এএসপি শ্যমল কুমার ঘোষ বেইস মিতালী ডাক বাংলোতে অবস্থান করছেন। এসআই, এএসআই, এদের মধ্যে কেহকেহ ক্যাম্পারে বাহিরে অনেকে জরাজীর্ন পরিত্যক্ত ফেটে চৌচির হওয়া টিন সেড কোয়াটারে উপরের টিন গুলো মরিচিকা ধরে অসংখ্য ছিদ্রদিয়ে রাতে চাঁদের আলো দেখা যায়। বৃষ্টির পানি ও জলে একাকার হয়ে যায় ঘর আর বাড়ান্দা। সেইসব  বাসায় নিজ দায়িত্বে পলেথিন টাঙ্গীয়ে দরজা-জানালায় ধারা সাটিয়ে মেরামত করে সার্বক্ষনিক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন পুলিশ। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে একাধিক প্রাননাশ হতে পারে বলে সচেতন মহল আশঙ্কা করছে।

বীরগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও থানার অফির্সাস ইনচার্জের সাথে পৃথক পৃথক ভাবে সাক্ষাত করা হলে তারা উল্লেখিত সংবাদের সত্যতা স্বীকার করে জানান প্রতি মাসে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদনে জানানো হয়। মাঝেমধ্যে সরকারের নিদ্ধারিত প্রকৌশল বিভাগ এসে মাপযোগ করেন তবে দৃশ্যত কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।