আওয়ামী লীগ ৫৩, বিএনপি ২৬, জামায়াত ৫, জাপা ১, অন্যান্য ৩

16289_alবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : চতুর্থ দফায় ৯১ উপজেলা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে ৫৩ টিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ২৬ টিতে। জামায়াত সমর্থিত ৫টি, জাতীয় পার্টি ১টি, জেএসএস ১টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ২ টি উপজেলায়। পটুয়াখালীর গলাচিপা, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচিতরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইটনায় আওয়ামী লীগের চৌধুরী কামরুল হাসান। তিনি পেয়েছেন ৩৩,৪৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম কামাল হোসেন পেয়েছেন ২৭,৮৭৪ ভোট। মিঠামইনে আওয়ামী লীগের এডভোকেট আবদুস শাহিদ ভূঁইয়া ২৬,০৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এএইচ এম জাহিদুল আলম পেয়েছেন ১৮,৬৯৬ ভোট। জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান ৭৪,২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন পেয়েছেন ৩৮,৫৮৭ ভোট। জিয়ানগরে জামায়াতের মাসুদ সাঈদী ২১,০৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুল খালেক গাজী পেয়েছেন ৬৬১৫ ভোট। বরগুনার বেতাগীতে ২১,৭৪৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির শাহজাহান কবীর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিএম গোলাম কবীর পেয়েছেন ১৩,১৬২ ভোট।  ভোলার তজুমুদ্দিনে আওয়ামী লীগের ওহেদুল্লাহ জসিম ৪৪,৫১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। মনপুরায় আওয়ামী লীগের সেলিনা আক্তার চৌধুরী ৩১,১৫৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামসুদ্দিন চৌধুরী বাচ্চু পেয়েছেন ১০১২ ভোট। দৌলতখানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মঞ্জুরুল আলম। ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে বিএনপির এডভোকেট এম এ মজিদ ৪৯,৬৭৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৬,৫০৭ ভোট। ফেনীর সোনাগাজীতে আওয়ামী লীগের কামরুল আনাম বিজয়ী হয়েছেন। ফুলগাজীতে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের একরামুল হক একরাম। যশোর সদরে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার। কেশবপুরে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আমির হোসেন। কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির কামাল উদ্দিন কাঞ্চন। কটিয়াদিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবদুল ওয়াহাব আইন উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ৬১,৯৮১ ভোট। পাবনার ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান ২৭,৯৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জীবননগর উপজেলায় জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবদুল লতিফ। তিনি পেয়েছেন ৬১,৭২৫ ভোট। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জামায়াতের তোফায়েল আহমেদ ১৩,১৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। সিলেট সদরে আওয়ামী লীগের আশফাক আহমেদ ও কানাইঘাটে বিএনপির আশিক চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। গাবতলীতে বিএনপির মোর্শেদ মিল্টন জয়ী হয়েছেন। সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে বিএনপির মেজর (অব.) আবদুল্লাহ আল মামুন জয়ী হয়েছেন। খুলনার তেরখাদায় আওয়ামী লীগের শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু ও বটিয়াঘাটায় আওয়ামী লীগের আশরাফুল আলম খান বিজয়ী হয়েছেন। দাকোপে আওয়ামী লীগের আবুল হোসেন জয়ী হয়েছেন। শেরপুরের নালিতাবাড়িতে বিএনপির মোখলেছুর রহমান রিপন জয়ী হয়েছেন। সুনামগঞ্জের শাল্লায় জয়ী হয়েছেন বিএনপির গণেশ চন্দ্র সরকার। বেগমগঞ্জে বিএনপির এডভোকেট আবদুর রহিম জয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জ সদরে সৈয়দ আহমদুল হক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নবীগঞ্জে আওয়ামী লীগের আলমগীর চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে আওয়ামী লীগের ফরহাদ হোসেন জয়ী হয়েছেন। ফুলবাড়িতে জয়ী হয়েছেন বিএনপির অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম মতি। নাটোরের বড়াইগ্রামে বিএনপির ইকরামুল আলম নির্বাচিত হয়েছেন। নড়াইল সদরে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মনিরুল ইসলাম।  নেত্রকোনার মদনে বিএনপির হারেস উদ্দিন জয়ী হয়েছেন। ভৈরবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন। পটুয়াখালী সদরে আওয়ামী লীগের তারিকুজ্জামান, মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী খান মুহাম্মদ আবু বকর ও বাউফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মজিবুর রহমান। দুমকিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহজাহান শিকদার। উজিরপুরে আওয়ামী লীগের হাফিজুর রহমান ইকবাল, পিরোজপুর সদরে আওয়ামী লীগের মজিবুর রহমান খালেক, ভান্ডারিয়ায় স্বতন্ত্র আতিকুল ইসলাম, ও মঠবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের আশরাফুর রহমান জয়ী হয়েছেন। দৌলতখানে আওয়ামী লীগের মঞ্জুরুল আলম খান বিজয়ী হয়েছেন। কুমিল্লার মেঘনায় আওয়ামী লীগের আবদুস সালাম জয়ী হয়েছেন। কালিহাতী উপজেলায় জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মাজহারুল ইসলাম, নলছিটিতে আওয়ামী লীগের এডভোকেট ইউনুস লস্কর, রাজাপুরে আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান মনির, কাঠালিয়ায় আওয়ামী লীগের ফারুক শিকদার, বরিশালের বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের গোলাম ফারুক নির্বাচিত হয়েছেন। চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিএনপির দেলোয়ার হোসেন জয়ী হয়েছেন। সাতকানিয়ায় জামায়াতের জসিম উদ্দিন জয়ী হয়েছেন। মৌলভীবাজার সদরে বিএনপির মিজানুর রহমান, কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগের রফিকুর রহমান ও শ্রীমঙ্গলে আওয়ামী লীগের রনবীর কুমার দে জয়ী হয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আওয়ামী লীগের এটিএম মনিরুজ্জামান জয়ী হয়েছেন। আখাউড়ায় জয়ী হয়েছেন বিএনপির মোসলেম উদ্দিন। ঝালকাঠি সদরে আওয়ামী লীগের সুলতান হোসেন খান, টাঙ্গাইলের ভূয়াপুরে আওয়ামী লীগের এডভোকেট আবদুল হালিম ও নাগরপুরে বিএনপির আবদুস সামাদ দুলাল জয়ী হয়েছেন। মধুপুরে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সরোয়ার আলম খান আবু। কক্সবাজারের রামুতে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আহমেদুল হক চৌধুরী। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আওয়ামী লীগের তৌহিদুল হক চৌধুরী, রাউজানে আওয়ামী লীগের এহসানুল হায়দার চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ায় মোহাম্মদ আলী শাহ জয়ী হয়েছেন। রাঙ্গামাটির জুড়াছড়িতে জয়ী হয়েছেন জেএসএস প্রার্থী উৎজয় চাকমা। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জয়ী হয়েছেন বিএনপির জিয়াউল ইসলাম জিয়া। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামী লীগের ফিরোজ আহমেদ স্বপন জয়ী হয়েছেন। বোয়ালখালীতে আওয়ামী লীগের আতাউল হক জয়ী হয়েছেন। লাখাইয়ে আওয়ামী লীগের মুশফিউল আলম আজাদ, আজমিরিগঞ্জে আওয়ামী লীগের আতর আলী জয়ী হয়েছেন। তানোরে বিএনপির ইমরান আলী, পুঠিয়ায় বিএনপির আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা, ও বাগমারায় আওয়ামী লীগের জাকিরুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন। পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের মোখলেছুর রহমান মিন্টু জয়ী হয়েছেন। ধর্মপাশায় বিএনপির মোতালেব হোসেন জয়ী হয়েছেন। হালুয়াঘাটে আওয়ামী লীগের ফারুক আহমেদ খান বিজয়ী হয়েছেন। বাঁশখালীতে জামায়াতের জহিরুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন। ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের তৌহিদুল আলম চৌধরী জয়ী হয়েছেন। ফুলতলায় আওয়ামী লীগের শেখ আকরাম হোসেন, ও রপসায় আওয়ামী লীগের কামাল উদ্দিন জয়ী হয়েছেন। বরুড়ায় বিএনপির আবদুল খালেক চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। ঢাকার ধামরাই উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত তমিজউদ্দিন পেয়েছেন ৯৮,৩৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম কবীর মোল্লা পেয়েছেন ৭৪,২৭৪ ভোট।