বাংলাদেশকে গোপনে পানি দেয়া হয়েছে: মমতা

momotaবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম  : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় গতকাল এক অভিযোগে বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ফারাক্কা বাঁধ ও তিস্তা নদী থেকে বাংলাদেশকে গোপনে পানি দিয়েছে। সেটা করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে না জানিয়েই। মমতার অভিযোগ, এর মাধ্যমে জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির মানুষকে সেচ ও পানীয় জল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আউটলুক ইন্ডিয়া। মুর্শিদাবাদ জেলায় শ্রমিজীবীদের এক সম্মেলনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী প্রশ্ন করেন, ফারাক্কা বাঁধের গেইটগুলো কেন ভাঙা হয়েছে এবং কেন ভাগিরথি নদীর পানি দেয়া হয়েছে? তিনি বলেন, তিস্তা নদীও শুকিয়ে গেছে। মমতা অভিযোগ আনেন, একদিন ফারাক্কার গেইটগুলো ভেঙে যাওয়ার তথ্য পেলাম আমরা এবং সেই অজুহাতে আমাদের না অবহিত করেই ৩ মাস পানি দেয়া হয়েছে। মমতা আরও বলেন, পরিকল্পিত উপায়ে আমাদের অন্ধকারে রেখে তিস্তার পানিও ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আমরা বলেছি আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ যতোটা করতে পারে, ততোটা করবে। তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের না বলে পানি দিয়ে দেয়ার মাধ্যমে জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির মানুষকে সেচ ও পানীয় জল থেকে বঞ্চিত করা হযেছে। কংগ্রেসকে সেচ বিভাগের দায়িত্ব হস্তান্তর করে দেয়ায় আমি এটা দেরিতে জানতে পেরেছি। এটা আমার দুর্ভাগ্য। এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তার কোন ইস্যু নেই। আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। বহু মানুষ বাংলাদেশ থেকে এসেছেন এবং এখানে বসবাস করছেন। মমতা আরও বলেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে নই। কেন্দ্রের ভূমিকার কথা বলছি আমি। তিনি বলেন, আমার কোন আপত্তি নেই যদি চুক্তি ও রাজ্যের সম্মতির ভিত্তিতে পানি দেয়া হয়। মমতা বলেন, ফারাক্কা থেকে গোপনে পানি দেয়ায় এখানকার নদী শুকিয়ে গেছে, যা শিল্প কারখানা, সেট ও পানীয় জলের সরবরাহকে আক্রান্ত করেছে। কংগ্রেসের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে তিনি বলেন- কংগ্রেস নেতারা কি এটা নিয়ে ভেবেছেন বা তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন?