টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আ’লীগের দুই গ্র“পের সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত ১৫

taaingail-1টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইল নাগরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্র“পের সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিক সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তরুন আওয়ামী লীগ নেতা উইলিয়াম এবং বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কুদরত আলীর সাথে উপজেলার বাসস্ট্যান্ডে তাদের দলীয় কার্যালয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে কুদরত আলীর সমর্থকরা আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুর করে। এসময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্থানীয় শাহীন লাইব্রেরীতে আশ্রয় নেয়। সেখানে গিয়েও কুদরত আলীর ক্যাডার বাহিনী হামলা চালিয়ে লাইব্রেরীতে ভাংচুর চালায়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। হামলায় দৈনিক যুগান্তরের স্থানীয় প্রতিনিধি আকতারুজ্জামান বকুল, নাগরপুর সরকারি কলেজের ভিপি মামুন ও পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হন। আহতদের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম জানান, তারা পার্টি অফিসে(দলীয় কার্যালয়) বসে কথা বলছিলেন। এ সময় নাগরপুর সদর উইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত আলী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। তাকে হত্যা করার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কুদরত আলী  জানান, হামলার ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো লোক জড়িত নেই। জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম উল্টো সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আবু ওবায়দা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।