উপজেলা নির্বাচনে শক্তির মহড়া শঙ্কিত কমিশন

14644_f1বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে শক্তির মহড়া দিচ্ছেন প্রার্থীরা। এক্ষেত্রে সরকার সমর্থিত প্রার্থী ও সরকারি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা রয়েছেন এগিয়ে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় প্রার্থীদের আধিপত্য বিস্তার ও বল প্রয়োগের ঘটনা বাড়ছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে মন্ত্রী ও এমপিরা সরাসরি জড়িত হওয়ায় বল প্রয়োগের ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করছে কমিশন। দুই দফা নির্বাচনে শ’ শ’ অভিযোগ আসায় অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে নির্বাচন কমিশন। এসব অভিযোগের প্রতিকারে তেমন কোন ব্যবস্থাই নিতে পারেনি তারা। তৃতীয় দফা নির্বাচনে যাতে গণহারে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে না পাঠানো হয় এজন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ কারণে নির্বাচন কমিশনে তৃতীয় দফা নির্বাচনের তেমন কোন অভিযোগও আসছে না। তবে বিগত দুই ধাপের নির্বাচনে সংঘাত ও সহিংসতার পেছনে সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবের বিষয় উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণে। এমনটি চললে পরবর্তী ধাপে এ ধরনের ঘটনা আরও বেশি ঘটবে বলে মনে করছে ইসি। ৩য় ধাপের নির্বাচনের আগেই অনেক উপজেলায় সহিংসতা চলছে। শনিবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম মোকাম্মেল হকের এলাকা গাজীপুরের শ্রীপুরে মন্ত্র্ত্রী সমর্থিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সোমবার শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমুর এলাকা ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ফারুক শিকদার এবং বিদ্রোহী প্রার্থী তরুণ শিকদারের সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষ হয়েছে। এ ছাড়াও ১ম ও ২য় ধাপে নির্বাচনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর প্রভাবে সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, চাঁদপুর, ঝিনাইদাহ, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও যশোরে সহিংসতা হয়। মন্ত্রী-এমপিরা তাদের সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে অবাধে প্রচার-প্রচরণা চালালেও রিটার্নিং অফিসাররা নীরব ভূমিকা পালন করছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘন, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাইয়ের আশঙ্কা করে অনেক অভিযোগ আসলেও রিটার্নিং অফিসাররা এসব অভিযোগ ইসিতে না পাঠিয়ে চেপে যাচ্ছেন। এতে করে ইসি কোন পদক্ষেপ নিতে পারছেন না বলে জানান ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। ২য় ধাপের চেয়েও ৩য় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে সহিংসতা বেশি হবার আশঙ্কা করছে ইসি। এ কারণে ৩য় দাপের নির্বাচনে কোন কেন্দ্রে সহিংসতার সঙ্গে সঙ্গে ভোট কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এ ছাড়াও নির্বাচনে সংঘাত-সংঘর্ষকারী ও আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে  ইসি। যেসব উপজেলায় সংসদ সদস্যরা নির্বাচনে প্রভাবিত করছেন ওইসব উপজেলার বিষয়ে আরও কঠোর হতে রিটার্নিং অফিসারদের বলা হয়েছে। এদিকে শনিবার গাজীপুরের শ্রীপুরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। এ ছাড়া যেসব উপজেলায় আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সংঘর্ষের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে ওইসব জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। রোববার বরিশালের হিজলায় দলীয় সভার নামে নির্বাচনী সমাবেশ চলার খবর কমিশনে পৌঁছলে তা তাৎক্ষণিক বন্ধ করতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, আইন অনুযায়ী উপজেলা নির্বাচন নির্দলীয় নির্বাচন। উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রার্থীর পক্ষে  প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংসদ সদস্যরা ভোটার হলে শুধুমাত্র নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে ভোট দিতে যেতে পারবেন। তারা কোন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালালে ওই উপজেলার ভোট বন্ধ করে দেয়ার চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। উপজেলা নির্বাচন চলাকালীন নির্বাচনী এলাকাগুলোতে মন্ত্রী-এমপিদের রাজনৈতিক সভা না করার আহবান জানান তিনি।
গাজীপুরে বিজিবি মোতায়েন:
স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে জানান, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হওয়া ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন (২৫) মারা গেছেন। এদিকে ওই ঘটনার সময় অস্ত্র ব্যবহারকারী দুইজনসহ এ পর্যন্ত ২২ জনকে আটক করা হয়েছে। আল আমিনের মৃত্যু ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রীপুরে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক রাখতে দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবারের ঘটনার পর থেকেই প্রায় থেমে আছে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার কাজ। শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন সবুজ ও আবদুল জলিল সমর্থকদের মধ্যে শনিবার দুপুরে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ, যানবাহন  ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে একজন আইনজীবী সাত জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ উপজেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আল আমিন ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় মারা যায়। শনিবারের ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে অজ্ঞাত ৩-৪শ’ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
চৌদ্দগ্রামে গাড়ি ও অফিস ভাঙচুর, আহত ১০
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই প্রার্থীর গাড়ি ও অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। এসময় ছাত্রদলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হন। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কাশিনগর ও মিয়াবাজারে এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল হুদা বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হক চৌধুরীসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে কাশিনগর এলাকায় গণসংযোগে যান। সন্ধ্যায় ৭টার দিকে তারা গণসংযোগের উদ্দেশ্যে কাশিনগর বাজারের প্রবেশের পথে সরকার দলীয় সমর্থকরা কামরুল হুদার গাড়ি ও গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে অন্তত ৬টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এসময় গাড়িতে থাকা ১০ নেতাকর্মী আহত হন। তাদেরকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়া জগন্নাথ ইউনিয়নের বিজয়করা এলাকায় উপজেলা বিএনপির প্রবাসীবিষয়ক সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরীকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।  স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার শেষে কুমিল্লার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। কাশিনগর বাজারে হামলার প্রতিবাদে বিএনপি সমর্থিতরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিয়াবাজার আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুস ছোবহান ভূঁইয়া হাসানের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি তোফায়েল হোসেন জুয়েলসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কামরুল হুদা জানান, গণসংযোগের একপর্যায়ে কাশিনগর বাজারে সরকার দলীয় সমর্থকরা আমার গাড়িসহ কয়েকটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এতে আমাদের অন্তত ১০ কর্মী আহত হয়েছে। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার চক্রবর্তী জানান, মিয়াবাজারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
শরণখোলায় ভোটারদের হুমকি
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, শরণখোলা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন আকন এবং তার বাহিনী নির্বাচনী প্রচারাভিযানে বিএনপি সমর্থিত ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি দলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খান মতিয়ার রহমান। গতকাল দুপুরে শরণখোলা প্রেস ক্লাবে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। খান মতিয়ার রহমান জানান, তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল উদ্দিন আকন নিশ্চিত পরাজয় ভেবে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা ও নির্যাতন চালাচেছন। কামাল উদ্দিন আকনের  বাহিনী গত ৭ই মার্চ বিকালে উপজেলার রাজাপুর বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। সে দৌড়ে প্রাণে রক্ষা পেলেও তার দলের প্রায় ২০ নেতাকর্মী আহত হন।
ঝালকাঠিতে সংর্ঘষ, আহত ১৬
ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ১০টায় কাঁঠালিয়া উপজেলার বান্ধাঘাটা বাজারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. তরুণ সিকদার (চিংড়ি মাছ) প্রতীক ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফারুক সিকদার (কাপ পিরিচ) প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াসহ ব্যাপক সংর্ঘষ হয়। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সম্রাট সিকদার, কাঁঠালিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম কবির সিকদার, মো. সালাম, মো. ছোরাপ হোসেনসহ উভয় দলের ১৬ জন আহত হয়েছেন।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, আবদুল আজিজ (৩৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গলাকেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার সাধুহাটী শ্মশানঘাট এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত আজিজ হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভূঁইয়াপাড়া গ্রামের আবু তালেবের ছেলে ও দৌলতপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরুল হোসেন জানান, সকালে সাধুহাটি ইউনিয়নের শ্মশানঘাটে গলাকাটা একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এদিকে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী পারুলা হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তার প্রতিপক্ষ প্রার্থী সাবদার হোসেনের সন্ত্রাসীরাই আজিজকে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, আজিজকে হত্যার আগে সন্ত্রাসীরা হরিণাকুণ্ডু উপজেলার হিঙ্গেরপাড়া গ্রামে তার সমর্থক মুকুল সরদার, ফারুক হোসেন ও হাফিজা খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায় এবং পেশিনগর গ্রামের নুরুল ইসলাম নুরু ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। একই দিন হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভেড়াখালি গ্রামের শহিদুল, সোনাতনপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন ও মৃগেবাথান গ্রামের হাবিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারধর করে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট না দিতে শাসিয়ে যায়। এ ঘটনার পর রাত ২টার দিকে আজিজকে ধরে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি। এদিকে যুবদল নেতা আবদুল আজিজকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি।