খুলনায় অজ্ঞন পর্টির ততপরতা বৃদ্ধি

khulna-001ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল খুলনা ব্যুরো ঃ বর্তমানে খুলনা মহানগরী সহ দক্ষিঞ্চালে অজ্ঞন পার্টির ততপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষিণঞ্চালসহ সারাদেশের অজ্ঞান পার্টির মুলহোতা সালমান খান ওরফে সলেমানের নানা বিধ অপরাধের অজনা তথ্য বিষয় সত্যতা পাওয়া গেছে। গোপন সুত্রে জানাযায়, দিনাজপুর জেলার বীরগজ্ঞ থানার মাটিয়াকুরা গ্রামের মৃত্যু উসমান খান এর পুত্র সালমান খান ওরফে সলেমান (৪০) প্রথম জীবনে গাড়িতে হকারী করে জিবিকা নির্বাহ করতো। তাহার প্রথম স্ত্রী তাজেল নাহার কাজল কে বিবাহ করে অন্যদশটি পরিবারের মত দিনযাপন করতো । কাজলে ঘরে মাসুম ও মামুন এবং সাইমা নামের (১৪) এক কন্যা সন্তান রয়েছে। এসময়   তিনি অজ্ঞান পাটিতে নাম লেখায়। আস্তে আস্তে বিস্তার করতে থাকে অন্ধকার জগতে। গাড়িতে চকলেট ও খাদ্যদ্রব্য বিক্রয়য়ের সুত্র ধরে পরিচয় হয় শান্তার সাথে । শান্তাও গাড়িতে গাড়িতে চকলেট বিক্রয় করতো। পরে সে শান্তা কে বিবাহ করে। তার ঘরে তিন বছরের শাওয়ন নামের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সংসার বড় হওয়ার সাথে সাথে আয় বৃদ্ধির জন্য সলেমান নিজে সালমান নামে আজ্ঞান পার্টির দল গঠন করে। বর্তমানে সালমান বাহীনী নামে অজ্ঞান পার্টি সারাদেশের সাধারন মানুষকে বোকাবানিয়ে খাদ্যদ্রব্যর সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ায়ে সর্বশ্চ হাতিয়ে নিচ্ছে।বর্তমানে এই চক্রটি খুলনা,যশোর,মাগুরা,ঝিনাইদাহ,সাতক্ষীরা,বাগেরহাট,পিরোজপুর ও বরিশালে অধিপত্ব বিস্তার করেছে। সালমান খুলনার গলামারী একটি হোটেলে প্রতিনিয়ত যাতয়াত করতো সেই সুবাদে হোটেল কর্মচারী জাহানারা বেগম (৫০) এর সাথে তার পরিচয় ঘটে। এবং জাহানাকে লোভ দেখিয়ে মিথ্যা পরিচয়ে তার মেয়েকে বিবাহ করে। বর্তমানে ৩য় স্ত্রীকে সে নির্যাতন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সালমান বাহিনী ঈদকে সামনে রেখে অজ্ঞন ততপরতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এ বহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়ত পরিবহনে ও জনবহুল মার্কেট নানাবিধ পন্থায় মানুষকে খাবার অথবা রুমালের সাথে অজ্ঞনের ওষুধ মিশিয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবহনে বিভিন্ন ওষুধ বা খাবার বিক্রয়ের মাধ্যমে মানুষকে অজ্ঞান করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তার বাহিনী খুলনা,যশোর,ঝিনাইদাহ,মাগুরা সাতক্ষীরা,বাগেরহাট ও পিরোজপুরের অধিকাংশ পরিবহনে ঘুরে ঘুরে ওষুধ বা খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে যাত্রী বেশী খাওয়ে তাদের সহায় সম্বল লুটে নেয়। গোপন সুত্রে জানায়ায় তার বাহিনীর সদস্য সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তারা সারা দেশে এধরনের কর্মকান্ড করে গড়ে তুলেছে এক শক্তিশালী নেটওয়াক। কিছুদিন আগে এদেও খপ্পরে পড়ে খুলনা বাষ্টমঘাটের ইটবালু ব্যাবসায়ী আঃ গনিশেখ দির্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাজ্ঞা লড়েছে এসময় ঐ চক্র তার নিকট থেকে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া ডাঃ পঞ্চানন মহলীর কে একই পন্থায় অজ্ঞন কওে সর্বশ্চ হাতিছে নেয়। ডাক্তার পঞ্চনন মহলী এই প্রতিবেদক কে জানায় সালমান আমার পার্শ্বে এসে যাত্রী বেশে বসে পরে সে আমাকে একটি ডাব খাওয়ে আমাকে অজ্ঞন করে। পরে আমার নিকট থাকা ১৫হাজার টাকা মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। অপর একটি সুত্র জানায় সালমানের প্রথম স্ত্রীর ও দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে লোকদের ম্যানেজ করে সালমানের নিকট নিয়ে আসে পরে সালমানের সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে মোটা অঙ্কের টাকা লুটে নেয়। সালমানের সাথে রয়েছে সাতক্ষীরার সবুজ(২৭),সিরাজগজ্ঞের জহুরুল (৩৫),চিটাগাংঙ্গের মাসুম চৌধুরী (৫০),সিলেটের সামছু (৪৫),যশোরের মাসুম (২৮),ঢাকার টুকাই নুরইসলাম,আল-আমিন, চিটাগাংঙ্গেও ডন চৌধুরীসহ প্রায় ঢেড়শতাধিক অজ্ঞান পার্টির সদস্য রয়েছে। সালমানের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা,সাতক্ষীরায় দুটি প্রতারনা মামলা রয়েছে। সালমানকে একাধিকবার সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ অটক করেছে । তার বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। মামলাটি গত ২২-৪ ইংরাজী তারিখে এজার ভুক্ত হয়। বর্তমানে সালমান ও তার বহিনী ঈদকে সামনে রেখে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।