পানছড়িতে তথ্য অধিকার আইন নিয়ে গণসংলাপ

OLYMPUS DIGITAL CAMERAখাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়ি পানছড়িতে “স্বচ্ছতা ও জবাাবদিহিতা নিশ্চত করনে পানছড়িতে তথ্য অধিকার আইন” নিয়ে গণ সচেতনতা বৃদ্ধি লক্ষ্য গণসংলাপ অনুষ্ঠিত।

বুধবার সকাল ১০টায় পানছড়ি উপজাতীয় স্বাকৃতিক সংঘের খাগড়াছড়ির স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা তৃনমূলের আয়োজনে ইউএনডিএফ এর অর্থায়নে পানছড়ি স্থানীয় নির্বাচিত জন প্রতিনিধি,  সরকারী কর্মকতা ও স্থানীয় জনগনের মধ্যে গণ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন, দৈনিক পূর্বকোন খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ জহুরুল আলমের সঞ্চালনায় সংলাপে উপস্থিত ছিলেন জন প্রতিনিধি উপজেলা চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা,ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান হোসেন,মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রতœা তঞ্চঙ্গ্যা ও সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা রতœ কান্তি রোয়াজা,পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ বাবুল হোসেন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার প্রতিনিধি সুব্রত বিশ্বাস।

সংলাপের শুরুতে “তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা ও বাংলাদেশ এথনিক কমিনিটিদের তথ্য প্রাপ্তীর জোড়দার প্রকল্প” বিষয়ে ধারনা দেন প্রকল্প সমন্বয়ক বিমল কান্তি চাকমা। তিনি বলেন তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থাটি খাগড়াছড়ি জেলার একটি উন্নয়ন সংস্থা এটি স্থানীয় অবহেলিত ও তৃণমূল পর্যায়ের অধিবাসীদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ করে।

পানছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা বলেন,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আগে নিজের থেকে শুরু করতে হবে। নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে প্রত্যেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা প্রয়োজন। কেউ সমালোচনার উদ্ধে নয়। বিশেষত জন প্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতা থাকা উচিত।
সংলাপে বক্তারা আরো বলেন বাংলাদেশ সরকার তথ্য অধিকার আইন করায় একজন নাগরিক সহজে তথ্য পেতে পারে। আইন অনুযায়ী ও আপিলের মাধ্যমে যে কোন তথ্য পাওয়ার অধিকার নিচ্ছিত করে। তবে তথ্য অধিকার আইন হলে ও কিছু তথ্য গোপন রাখারও অধিকার আছে। যে তথ্য গুলো দিলে রাষ্ট্র ও দেশের জন্য হুমকি সে তথ্য গুলো চাওয়া বা দেওয়ার অধিকার কারো নেই। বর্তমানে তথ্য অধিকার আইন হওয়াতে  অনেক সরকারী-বেসরকারী অফিস আদালতে দুর্নীতি কমেছে বলে মতামত দেন বক্তারা।