খাগড়াছড়িতে আদিবাসী ও সেটেলার বাঙ্গালীদের শান্তি সমাবেশ

indexখাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়ি কমলছড়িতে সবিতা চাকমা হত্যা ও শহীদুল ইসলাম নিখোঁজের সুত্র ধরে আদিবাসী-সেটেলার বাঙ্গালীদের সৃষ্ট সংঘর্ষ ও উত্তেজনা নিরসনের জন্য প্রশাসনের আদিবাসী ও সেটেলার বাঙ্গালীদের শান্তি সমসাবেশ অনুষ্ঠিত।

শনিবার বিকাল ৩ টায় খাগড়াছড়ি সদরস্থ বীচিতোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আদিবাসী ও সেটেলার বাঙ্গালীদের শান্তি সমসাবেশে কমলছড়ি ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মংশিথুই মারমার সঞ্চালনা কমলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সুপন খীসার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে.কর্ণেল শহীদুল ইসলাম,মেজর মোঃ জাবেদ মিয়া,মেজর নিশাদুল ইসলাম খান ও খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমানসহ এলাকার আদিবাসী ও সেটেলার বাঙ্গালীদের গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে লে.কর্ণেল মোঃশহীদুল ইসলাম, চেয়ারম্যান সুপন খীসা ও সদর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,সবিতা চাকমা হত্যা,শহীদুল ইসলাম নিখোঁজের সুত্র ধরে পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের সংঘর্ষ এটি একটি ভুল বুঝাবুঝি। সবিতা হত্যা ও শহীদুল ইসলাম নিখোঁজ এটা আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী দেখবে। হত্যাকারীদের ধরা ও নিখোঁজ উদ্ধার করার কাজ আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর। কিন্তু এটাকে একটি কুচক্রী মহল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ঘটনাকে অন্যদিকে প্রভাবিত করছে। যার কারনে পাহাড়ী- বাঙ্গালীদের ভুল বুঝাবুঝির কারনে অনাঙঙ্খাকিত ভাবে সংঘর্ষ হয়েছে। লে.কর্ণেল শহীদুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেদিকে সবাইকে সর্থক থেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এলাকা পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের মধ্যে থেকে শান্তি কমিটি গঠনের জন্য প্রস্তাব করা হলে .লে.কর্ণেল শহীদুল ইলাম বলে দেড় বছর আগে একটি শান্তি কমিটি করে দিয়েছিলাম তা কোন কাজ করতে পারেনি তাই তার আর দরকার নেই। এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বাররা হলেন শান্তি কমিটির লোক। এলাকার শান্তি শৃংঙ্খলা তারাই দেখবে।  এখন থেকে পাহাড়ী- বাঙ্গালীদের কিছু হলে তারা আগে এলাকার চেয়ারম্যান,মেম্বারদের আগে অবগত করতে হবে।

সমাবেশে আদিবাসী মুরুব্বীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন,অরিন্দম চাকমা,বিমল তালুকদার। সেটেলার বাঙ্গালী মুরুব্বীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ আবুল হোসন, পল্লী মোঃ চিকিৎসক মোঃ হায়দার আলী, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মোঃ শাহাজাহান ফরাজী।