ঘিওরে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি : দলীয় সিদ্ধান্ত মানছেনা বিএনপি-আ’লীগ

Ghior Upozala - Copyআব্দুর রাজ্জাক :  আগামী ১৫ মার্চ তৃতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হবে ঘিওর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে বড় দুই দলের নীতি নির্ধারকরা। বিএনপির ৮ জন, আওয়ামীলীগের ৩ জন ছাড়াও জাসদ থেকে ১ ও স্বতন্দ্র ১ জন মোট ১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছে। প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দও করা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন প্রার্থীই নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় মাঠ গরম করে রাখছে। বিএনপি থেকে খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে এবং আওয়ামীলীগ থেকে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবীবকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু দলীয় এই সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও বড় দুই দলের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় অনেকটা হযবরল অবস্থা বিরাজ করছে ঘিওর উপজেলাজুড়ে।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাসদের আফজাল হোসেন খান জকি (টেলিফোন)প্রতীক নিয়ে এবারও নির্বাচনে অংশ নিয়ে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামীলীগ এর দলীয় প্রার্থী অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবীব (মটর সাইকেল)। এছাড়াও জেলা কৃষকলীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ  (ঘোড়া), ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম উজ্জল (হেলিকপ্টার) আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

বিএনপি থেকে দলীয় প্রার্থীতা দেওয়া হয় খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে (বেটারী)। কিন্তু দলীয় এই সিদ্ধান্ত মানছে না বিএনপির অপর ৭ প্রার্থী। তারাও নিজেদের বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়ে মাঠে নেমেছে। নালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বিশ্বাস দুদু (আনারস), এডভোকেট ফিরোজ আলম বাবু (লাটিম), এডভোকেট ফরহাদ খান (হাতি), আব্দুল আলিম খান মনোয়ার (ময়ূর), কাজী মো: ওয়াজেদ আলী (কাপ পিরিচ), আহাম্মদ আলী ভূইয়া (ফেস টুপি), জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক আব্দুল মান্নান (দোয়াত কলম) প্রতীক নিয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয় বিএনপির এই ৭ বিদ্রোহী প্রার্থী মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় প্রার্থী খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে। এরপর ঘিওর উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিদ্রোহীরা।

এছাড়া ভাইস চেয়াম্যান পদে তরুন বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী মো: শাহিন মিয়া হাসিন ও মহিলা ভাইস চেয়াম্যান পদে মহিলা দলের নেত্রী  জোসনা শিকদার গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আওয়ামীগ থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বেচ্ছা সেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন বিশ্বাস ওরফে ভিপি ফরহাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শামিম মিয়া, পয়লা ইউনিয়ন আওয়ামীগ নেতা আব্দুস কুদ্দুস। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদিকা কাজী মাহেলা ব্যাপক গনসংযোগ চালাচ্ছেন।

এ উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান মানিকগঞ্জ জেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন খান জকি এবারও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি গত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছিলেন।

বিদ্রোহ নিরসন করে বিএনপি থেকে একক প্রার্থীর পক্ষে সবাই কাজ না করলে নির্বাচনের ফল ভাল হবেনা বলে আশংকা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির নীতি নির্ধারক ও সাধারন ভোটাররা। আর আওয়ামীলীগের ঘরের আগুন নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে পুড়ে যেতে পারে জয়ের ভাগ্য।ঘিওরে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি

দলীয় সিদ্ধান্ত মানছেনা বিএনপি-আ’লীগ

আব্দুর রাজ্জাক, ঘিওর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা ॥ আগামী ১৫ মার্চ তৃতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হবে ঘিওর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে বড় দুই দলের নীতি নির্ধারকরা। বিএনপির ৮ জন, আওয়ামীলীগের ৩ জন ছাড়াও জাসদ থেকে ১ ও স্বতন্দ্র ১ জন মোট ১৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছে। প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দও করা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন প্রার্থীই নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় মাঠ গরম করে রাখছে। বিএনপি থেকে খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে এবং আওয়ামীলীগ থেকে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবীবকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু দলীয় এই সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও বড় দুই দলের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় অনেকটা হযবরল অবস্থা বিরাজ করছে ঘিওর উপজেলাজুড়ে।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাসদের আফজাল হোসেন খান জকি (টেলিফোন)প্রতীক নিয়ে এবারও নির্বাচনে অংশ নিয়ে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামীলীগ এর দলীয় প্রার্থী অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবীব (মটর সাইকেল)। এছাড়াও জেলা কৃষকলীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ  (ঘোড়া), ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম উজ্জল (হেলিকপ্টার) আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

বিএনপি থেকে দলীয় প্রার্থীতা দেওয়া হয় খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে (বেটারী)। কিন্তু দলীয় এই সিদ্ধান্ত মানছে না বিএনপির অপর ৭ প্রার্থী। তারাও নিজেদের বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়ে মাঠে নেমেছে। নালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বিশ্বাস দুদু (আনারস), এডভোকেট ফিরোজ আলম বাবু (লাটিম), এডভোকেট ফরহাদ খান (হাতি), আব্দুল আলিম খান মনোয়ার (ময়ূর), কাজী মো: ওয়াজেদ আলী (কাপ পিরিচ), আহাম্মদ আলী ভূইয়া (ফেস টুপি), জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক আব্দুল মান্নান (দোয়াত কলম) প্রতীক নিয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয় বিএনপির এই ৭ বিদ্রোহী প্রার্থী মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় প্রার্থী খোন্দকার লিয়াকত হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে। এরপর ঘিওর উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিদ্রোহীরা।

এছাড়া ভাইস চেয়াম্যান পদে তরুন বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী মো: শাহিন মিয়া হাসিন ও মহিলা ভাইস চেয়াম্যান পদে মহিলা দলের নেত্রী  জোসনা শিকদার গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আওয়ামীগ থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বেচ্ছা সেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন বিশ্বাস ওরফে ভিপি ফরহাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শামিম মিয়া, পয়লা ইউনিয়ন আওয়ামীগ নেতা আব্দুস কুদ্দুস। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদিকা কাজী মাহেলা ব্যাপক গনসংযোগ চালাচ্ছেন।

এ উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান মানিকগঞ্জ জেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন খান জকি এবারও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি গত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছিলেন।

বিদ্রোহ নিরসন করে বিএনপি থেকে একক প্রার্থীর পক্ষে সবাই কাজ না করলে নির্বাচনের ফল ভাল হবেনা বলে আশংকা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির নীতি নির্ধারক ও সাধারন ভোটাররা। আর আওয়ামীলীগের ঘরের আগুন নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে পুড়ে যেতে পারে জয়ের ভাগ্য।