দ্বিতীয় ধাপেও বিএনপি’র বাজিমাত : বিএনপি ৫১, আ.লীগ ৪৫, জামায়াত ৮, অন্যান্য ৭

lid বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : দ্বিতীয় দফায় ১১৫ উপজেলা নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে ৫১ উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৪৫টিতে। জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮টিতে। জাপা জয় পেয়েছে ১টি উপজেলায়। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২টি উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন। জনসংহতি সমিতি পেয়েছে ৩টি ও ইউপিডিএফ জয় পেয়েছে ১টি উপজেলায়। আর ৪টি উপজেলার ফলাফল স্থগিত রয়েছে।  প্রথম ধাপে নির্বাচনে বিএনপি ৪২, আওয়ামী লীগ ৩৪, জামায়াত ১২ ও জাতীয় পার্টি ১টিতে জয় পেয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহ মো. শামীম হোসেন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২৪,৩১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রাফী খন্দকার শাহীন শাহ। তিনি পেয়েছেন ২০,৬১৪ ভোট। লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত রুহুল আমীন বাবুল। তিনি পেয়েছেন ৪৪,২৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু হেনা পেয়েছেন ৩৮,৩২০ ভোট। লালমনিরহাট সদরে বিএনপি সমর্থিত এসএএম মমিনুল হক ৭৭,৯৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির একেএম মাহবুবুল আলম মিঠু পেয়েছেন ৪১,৭২১ ভোট। কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে ৯৫৩৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. শফিউল আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোখলেছুর রহমান পেয়েছেন ৭৮১৬ ভোট। কুষ্টিয়ার মিরপুরে আওয়ামী লীগের কামরুল আরেফিন ৮৮,৯৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  বিএনপির আবদুল হক পেয়েছেন ৪০,৭২১ ভোট। ঝিনাইদহের মহেশপুরে জামায়াতের  আবদুল হাই ৭০,৬৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মইজ উদ্দিন পেয়েছেন ৫২,২৬৯  ভোট। পিরোজপুরের কাউখালীতে বিএনপির এসএম আহসান কবীর ১৩,২৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  বিএনপির বিদ্রোহী আবু সাঈদ মিয়া পেয়েছেন ৮৬৭২ ভোট। চাঁদপুরের মতলব উত্তরে  আওয়ামী লীগের মঞ্জুর আহমেদ ১,৩২,২৮৪  ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইশা আন্দোলনের আমানুল্লাহ পেয়েছেন ৪৫৬৫ ভোট। ফেনীর পরশুরামে আওয়ামী লীগের কামাল আহমেদ মজুমদার ৩২,৩৮০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু তালেব পেয়েছেন ৮২১৮ ভোট। খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে ইউপিডিএফ প্রার্থী সুপার জ্যোতি চাকমা ৪৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ছাইফং মারমা পেয়েছেন ২৯৪৬ ভোট। খুলনার ডুমুরিয়ায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির খান আলী মনজুর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  আওয়ামী লীগের গাজী আবদুল হাদি। হাতিবান্ধা উপজেলায় আওয়ামী লীগের লিয়াকত হোসেন বাচ্চু ৩৩,৬৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ২১,৯০০ ভোট। মুজিবনগর উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আমিরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ২৯,৯২৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস পেয়েছেন ২৬,৫৬৮ ভোট। রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জামায়াতের মাওলানা জিন্নাত আলী ৪৩,৪২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  আওয়ামী লীগের আজিজুল আলম পেয়েছেন ৩৬,৫০৩ ভোট। পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির নূর মোজাহিদ স্বপন। তিনি পেয়েছেন ২৫, ১৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বাকী বিল্লাহ পেয়েছেন ২৩,৪৫১ ভোট। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে আওয়ামী লীগের মো. সফিকুল ইসলাম ৫০,৭৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু হায়াত নূরুন্নবী পেয়েছেন ৪১,৯৯১ ভোট। জয়পুর হাটের ক্ষেতলালে বিএনপির রওনকুল ইসলাম চৌধুরী টিপু ২৩,৭৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সাইফুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ২০,৮২১ ভোট। ভোলার বোরহানউদ্দিনে আওয়ামী লীগের মহব্বত জান চৌধুরী জয় ৯০,৯৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন ৯০৫৯ ভোট। মতলব দক্ষিণ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার ৪৩,৮৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমএ শুকুর পাটোয়ারী পেয়েছেন ৩১,২৫৫ ভোট। নোয়াখালীর চাটখিলে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর কবীর ৪৯,০১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৪০,৯১১ ভোট। কুষ্টিয়ার খোকসায় আওয়ামী লীগের আলহাজ সদর উদ্দিন ৪৪,৪৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৩০,৩১৬ ভোট। কুমারখালীতে আওয়ামী লীগের আবদুল মান্নান খান ৮৩,০৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুল ইসলাম আনছার পেয়েছেন ৭৫,৪৯৬ ভোট। যশোরের চৌগাছা উপজেলায় আওয়ামী লীগের এসএম হাবিব ৭১,৩৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জহুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৮,৪৩৯ ভোট। ঝিকরগাছায় বিএনপির সাবিরা নাজমুল মুন্নি ৬৪,৩৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮,৬৭২ ভোট। শার্শায় আওয়ামী লীগের সিরাজুল হক মঞ্জু ৮০,২১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খায়রুজ্জামান মধু পেয়েছেন ২৮,৯৬৩ ভোট। বাঘারপাড়ায় বিএনপির মশিউর রহমান ৫৫,০২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুর রউফ পেয়েছেন ৪২,৭৮৮ ভোট।
সুনামগঞ্জ সদরে বিএনপির দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন ৩৭,৩৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের জুনেদ আহমেদ পেয়েছেন ১১,৯৯৫ ভোট।  রাজারহাট উপজেলায় বিএনপির আবুল হাশেম ২৯,১৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জাহিদ ইকবাল পেয়েছেন ২২৮৮৬ ভোট। সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জামায়াতের মাওলানা আবদুল বারী ৬৯,৩১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গাজী আনিসুজ্জামান পেয়েছেন ২৯,৬৩৮ ভোট।  নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ীতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শামসুজ্জামান শোয়েব ১৩,৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা পেয়েছেন ৮০৬৫ ভোট। পূর্বধলায় আওয়ামী লীগের জাহিদুল ইসলাম সুজন ৫৩,৪৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইদুর রহমান তালুকদার পেয়েছেন ৩৫,৯৭০ ভোট। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে বিএনপির সাইফুল হুদা চৌধুরী ৩৪,৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের দেওয়ান সাইদুর রহমান পেয়েছেন ৩১,৩৩৬ ভোট। চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিএনপির মোজাফফর আহমেদ ৫০,৮৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তিমির বরণ চৌধুরী পেয়েছেন ২০,২০৬ ভোট। লোহাগড়ায় জামায়াতের এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান ৪৮,৪১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল পেয়েছেন ৩৫,০৬২ ভোট। রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বিএনপির দিলদার হোসেন ৮১০২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী পেয়েছেন ৭৫১৭ ভোট। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জামায়াতের আবুল কাওছার মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ৫৩,৭১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের একেএম মোকছেদ পেয়েছেন ২১,৭২৫ ভোট। ময়মনসিংহের ভালুকায় আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা ৭৭,০৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোরশেদ আলম পেয়েছেন ৭২,৪৪০ ভোট। বীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের আমিনুল ইসলাম ৫১,০৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. কে এম কুতুব উদ্দিন পেয়েছেন ৩২,৫৩০ ভোট। চিরিরবন্দরে জামায়াতের আফতাব উদ্দিন মোল্লা ৬৪,৮৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তারিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৬০,১২২ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিএনপির এডভোকেট আবদুর রহমান ৩৯,১৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা ওসমান উদ্দিন খালেদ পেয়েছেন ১৮৭৪০ ভোট। চুনারুঘাটে আওয়ামী লীগের আবু তাহের ৫১,১৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ লিয়াকত হাসান পেয়েছেন ৪৬,৮২৪ ভোট। রানীশংকৈল উপজেলায় বিএনপির আইনুল হক মাস্টার ৪৪০২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শাহরিয়ার আজম মুন্না পেয়েছেন ২২,৪৪৪ ভোট। সোনাইমুড়ী উপজেলায় বিএনপির আনারুল হক কামাল ৪০,৭৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আফম বাবুল বাবু পেয়েছেন ১৩,৫৭৮ ভোট। জয়পুরহাট সদরে বিএনপির ফজলুর রহমান ৮৫,৫৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আরিফুর রহমান রকেট পেয়েছেন ৩৯,২৬২ ভোট।   নাগেশ্বরী উপজেলায় বিএনপির আবুল কালাম ৫২,২৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপার মহিবুল হক খোকন পেয়েছেন ২৯,১৫৬ ভোট। পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় বিএনপির রেজাউল করিম শাহিন ২৬,৩৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী মুক্তারুল হক মুকু পেয়েছেন ১৮,৫১৭ ভোট। পাবনার চাটমোহরে বিএনপির হাসাদুল ইসলাম হীরা ৫৫,৪০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মীর্জা রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪৮,৮১৭ ভোট। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় বিএনপির আবদুল মুহিত তালুকদার ৬৫,৭৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সিরাজুল ইসলাম খান রাজু পেয়েছেন ৩৮,১০৮ ভোট। বিরামপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের পারভেজ কবির ২৪,৬৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা এনামুল হক পেয়েছেন ২১,৮০০ ভোট। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে জাতীয় পার্টির রাশিদুল ইসলাম ৩৫,৭৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রাজ্জাকুল ইসলাম রাজা পেয়েছেন ২৬,৮০৭ ভোট। জয়পুরহাটে কালাই উপজেলায় আওয়ামী লীগের মিনফুজুর রহমান মিলন ৩৯,৮৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইব্রাহিম হোসেন পেয়েছেন ২৩,৮৪৯ ভোট। মানিকগঞ্জ সদরে বিএনপির আতাউর রহমান আতা ৭৭,০৭০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ইস্রাফিল হোসেন পেয়েছেন ৩২,৯৭৪ ভোট। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আওয়ামী লীগের মাহমুদ হাসান সুমন ৫৪,৯০৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরিদ উদ্দিন পেয়েছেন ৪৫,৩৩৭ ভোট। গাংনী উপজেলায় বিএনপির মেরাদ আলী ৭৬,৫৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোখলেছুর রহমান মুকুল পেয়েছেন ৫৮,৬৪৩ ভোট। মাগুরার মোহাম্মদপুরে বিএনপির জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু ২৩,৯০১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী সৈয়দ আলী করীম পেয়েছেন ২৩,৬৮১ ভোট। শালিখায় বিএনপির মোজাফফর হোসেন টুকু ৩৫,৭৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শ্যামল কুমার দে পেয়েছেন ৩১,৭৩৫ ভোট। ভোলার চরফ্যাশনে আওয়ামী লীগের জয়নাল আবেদীন আকন্দ ১,৪৭,২৫১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোতাহার হোসেন আলমগীর পেয়েছেন ১২,৯৯৫ ভোট। বারহাট্টা উপজেলায় বিএনপির মানিক আজাদ ১৮,৭৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মইনুল ইসলাম কাশেম পেয়েছেন ১৬,৪৫৯ ভোট। ঝিনাইগাতি উপজেলায় বিএনপির আমিনুল ইসলাম বাদশা ৩২,৪২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহেল ওয়ারেছ পেয়েছেন ২৭, ৪৮৬ ভোট। কাহালু উপজেলায় জামায়াতের মাওলানা তায়েব আলী ৫৫,৬৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরিদুর রহমান ফরিদ পেয়েছেন ২৬,৯৪৮ ভোট। শিবগঞ্জে জামায়াতের মাওলানা আলমগীর ৬০,৬৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫২,৪৬৯ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বিএনপির বাইরুল ইসলাম ৭৪,৪১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের হুমুয়ুন রেজা পেয়েছেন ৫৯,৭৩১ভোট। মুন্সীগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের আনিসুজ্জামান ১,৩০,১১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ৩৯,৬৭৪ ভোট। শ্রীনগরে বিএনপির আলহাজ মোমিন আলী ৫৯,৬৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সেলিম আহমেদ ভূঁইয়া পেয়েছেন ৩৫,১৮১ ভোট। কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিএনপির রুহুল আমীন ৬৬,৯১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের এএসএম তারেক পেয়েছেন ৫৮,৩৩১ ভোট। ফেনী সদরে আওয়ামী লীগের আবদুর রহমান ১,৩৭,২৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এডভোকেট সৈয়দ মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৩২,৯০০ ভোট। বান্দরবানের থানছিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাহ্লাচিং ৩২৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খামলাই ম্রো পেয়েছেন ২০১৩ ভোট। রুমা উপজেলায় জনসংহতি সমিতির অং থোয়াই চিং ৫১১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের বাসিং থোয়াই পেয়েছেন ২০৬৮ ভোট। রোয়াংছড়িতে জনসংহতি সমিতির ক্যাবামং মারমা ৬৫০৩ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। লামায় বিএনপির খোয়াইনু প্রু চৌধুরী ২০,০১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ ইসমাইল পেয়েছেন ১৫,৭৫৫ ভোট। নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিএনপির হাফিজুর রহমান ২৭,৫৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শহিদুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ২৪,১৩২ ভোট। গুরুদাসপুর উপজেলায় বিএনপির আবদুল আজিজ ৪৩,৩৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। লালপুরে বিএনপির হারুনুর রশিদ পাপ্পু ৬১,০২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মাহমুদল হক মুকুল পেয়েছেন ৫৩,৬৮৫ ভোট। চাঁদপুর সদরে বিএনপির দেওয়ান শফিকুজ্জামান ৮৭,৮৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ইউসুফ গাজি পেয়েছেন ৫৭,২৮৬ ভোট। নেত্রকোনার কমলাকান্দায় আওয়ামী লীগের শাহ মো. ফখরুল ইসলাম ফিরোজ ৩৬,৭৫৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির আনিছুর রহমান পেয়েছেন ৩১,৮০৪ ভোট। নওগাঁর সাপাহারে আওয়ামী লীগের শামসুল আলম শাহ চৌধুরী ৩৭,৬১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির অধ্যক্ষ আবদুর নূর পেয়েছেন ৩১,৮১২ ভোট। নওগাঁ সদরে বিএনপির আবু বকর সিদ্দিক নান্নু ৯০,৮৩১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী  লীগের পারভীন আক্তার পেয়েছেন ৪৯,৫৪৫ ভোট। নাটোর সদরে আওয়ামী লীগের শরিফুল ইসলাম রমজান ৬৫,১৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির রহিম নেওয়াজ পেয়েছেন ৬৪,৯৬৯ ভোট। ময়মনসিংহ সদরে বিএনপির কামরুল ইসলাম ওয়ালিদ জয়ী হয়েছেন। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বিএনপির সাফায়েত আজিজ রাজু ৪১,২৮০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ওয়াহিদুর রহমান পেয়েছেন ২০,৪৬৪ ভোট। চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের জাফর আলম ৬৫,১৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন । নিকটতম বিএনপির মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৫৬,০৭১ ভোট। রাঙামাটির নানিয়ারচরে জনসংহতি সমিতির শক্তিমান চাকমা ৭৩৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম ইউপিডিএফের সুপেন চাকমা পেয়েছেন ৬৯০৮ ভোট। বদরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ফজলে রাব্বী জয়ী হয়েছেন। বাগেরহাটের কচুয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ মাহফুজুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নাজিরপুরে জয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সাঈদ মিয়া। টাঙ্গাইলের সখিপুরে আওয়ামী লীগের শওকত শিকদার ৪৪,৫৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির খোরশেদ আলম পেয়েছেন ২৫,৯১৩ ভোট। জামালপুরের ইসলামপুরে বিএনপির নবী নেওয়াজ খান জয়ী হয়েছেন। বকশিগঞ্জে বিএনপির আবদুর রউফ তালুকদার জয়ী হয়েছেন। মেলান্দহে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান চাঁন জয়ী হয়েছেন। বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগের এম এম মোশাররফ হোসেন ৫৭,৩৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নগরকান্দায় জয়ী হয়েছেন বিএনপির সৈয়দ শাহিনুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ২৯,৩২৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ২৮,৩৮৩ ভোট। সালথায় বিএনপির ওহিদুজ্জামান ২৯,৭৭৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। শিবচরে আওয়ামী লীগের রেজাউল করীম, রাজৈরে আওয়ামী লীগের শাহজাহান খান, কোটালিপাড়ায় আওয়ামী লীগের মজিবুর রহমান, শিবপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম, সাভারে বিএনপির হাজী কফিল উদ্দিন, কবিরহাটে আওয়ামী লীগের কামরুন্নাহার শিউলি এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান। গোপালগঞ্জ সদরে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চু। তিনি পেয়েছেন ৪০,৪৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের মাহমুদ হোসেন দিপু পেয়েছেন ২৫,৭৭৫ ভোট। বরিশাল সদরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ৭১, ৮৩৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এনায়েত হোসেন পেয়েছেন ৮৫২৪ ভোট। ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবু শাহেদ সরকার ৫৭,২৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের শাহিন আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বিএনপির ইলিয়াস পাটোয়ারী ৪০৯৬৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন পেয়েছেন ৩৮৬৫১ ভোট। নওগাঁর পত্নীতলায় বিএনপির আবদুল হামিদ ৬১,৩৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের আবদুল গাফফার পেয়েছেন ৫৩৪০৬ ভোট। নিয়ামতপুরে আওয়ামী লীগের এনামুল হক ৬০,৯১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপি সাদরুল আলম চৌধুরী পেয়েছেন ৩৬,২০১ ভোট। বদলগাছী বিএনপির মোস্তফা অলী আহমেদ রুমী চৌধুরী ৪৮,৬৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মীর মহিউদ্দিন আলমগীর পেয়েছেন ১০,২৬৮ ভোট। আত্রাইয়ে আওয়ামী লীগের এবাদুর রহমান ৪১,৯৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ৪১,৭০১ ভোট।