ঘিওর উপজেলা বিএনপির সমর্থীত প্রার্থীকে অবাঞ্চিত ঘোষনা

Manikganj press conferenceমানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :
মানিকগঞ্জ  ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লিয়াকত আলীকে টাকার বিনিময়ে বিএনপির সর্মথন দেওয়া হয়েছে বলে  সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সর্মথন না পাওয়া চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী সাত প্রার্থী।   মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘিওর উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থীত প্রার্থী লিয়াকত আলীকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করেছেন সমর্থন বঞ্চিত অপর সাত প্রার্থী। লিয়াকত আলীর সমর্থন বাতিল না করলে তারা নিজেরা যে কোন একজনকে মনোনিত করে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন।
মানিকগ্েঞ্জর ঘিওর উপজেলা নির্বাচন হবে আগামী ১৫ মার্চ। বিএনপি ১০ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে জমা দেন। বাছাইতে একজন বাদ হন এবং একজন প্রত্যাহার করে নেন। বাকী ৮ জনের মধ্যে বিএনপি সমর্থন দেয় লিয়াকত আলীকে।
জানা গেছে ঘিওর উপজেলায় বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের দুই ছেলে খোন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু ও  খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুকে দায়িত্ব দেয়া হয় প্রার্থী মনোনয়নের।   তারা লিয়াকত আলীকে সমর্থন দেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাকি সাত চেয়ারম্যান প্রার্থী গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী প্রার্থী জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মান্নান, নালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বিশ্বাস, পয়লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী ভুইয়া, অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী, অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম মনোয়ার, ফিরোজ আলম বাবু, ও রেজাউল করিম।
লিখিত বক্তব্যে তারা জানান লিয়াকত আলীর কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে খন্দোকার ডাবলু ও খন্দোকার আকবর হোসেন বাবলু লিয়াকত আলীকে সমর্থন জানিয়েছেন। অথচ লিয়াকত আলী বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। সে গত ২০০১ এবং ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।
এ ব্যাপারে খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যোগ্যতার ভিত্তিতেই লিয়াকত আলীকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।