সেনবাগে আওয়ামী লীগের প্রাথী পরিবর্তনের দাবীতে সভাপতি সম্পাদক অবরুদ্ধ

up-electionনোয়াখালী সংবাদদাতা:
আসন্ন ১৫মার্চ অনুষ্ঠেয় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাদের সিন্ধান্তের বাহিরে গিয়ে স্থানীয় সংসদ প্রার্থী ঘোষনা করায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সভাপতি ও সম্পাদককে অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্দ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা সাংসদ মোরশেদ আলমের মনোনিত প্রার্থী আ.ন.ম ভিপি গোলাম মোস্তফার পরিবর্তে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শিল্পপতি লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিককে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবীতে উপজেলা পরিষদের প্রধান গেইটে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে  ও যানবাহন ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। পরে ইউনিয়ন ও পৌর সভার সভাপতি,সম্পাদকদের সর্বসম্মত সিন্ধান্ত অনুয়াই লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিককে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য: গত ১৫ফেব্র“যারী উপজেলা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমাদনের শেষ দিন আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী হিসাবে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সানজি গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক ও আওয়ামী লীগ নেতা আ.ন.ম ভিপি গোলাম মোস্তফা মনোনয়নপত্র জমা দেয়। মনোয়ানয়নপত্র জমাদানের পর থেকে লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিকই তৃণমূল নেতাকর্মীরা দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য সমর্থন দেয়। এরপর লায়ন মানিকও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতে বিনা প্রতিদ্বন্দি¦তায় নির্বাচিত হওয়াÑনোয়াখালী-২(সেনবাগ-সোনাইমুড়ি) আংশিক আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোরশেদ আলম আর্কশ্মিক ভাবে তৃণমূল নেতাদের  সিন্ধান্তে বাহিরে গিয়ে তার স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে আ.ন.ম ভিপি গোলাম মোস্তফাকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেন। ওই চিঠিটি এলাকায় পৌছলে সর্বত্র দলীয় নেতাকর্মীরা ক্ষোভে পেটে পড়েন। এরপর এমপির সিন্ধান্ত পরিবর্তনের দাবীতে গতকাল শনিবার বিকেলে সেনবাগ উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আহম্মদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী এবং পৌর মেয়র আবু জাফর টিপুর পরিচালনায় তৃণমূল নেতাদের এক জরুরী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় এমপির ঘোষীত প্রার্থী পরিবতর্নের ঘোষনার দাবীতে দলীয় নেতাকর্মীরা সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আহম্মদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর টিপুকে পরিষদ চত্বেরে অবরুদ্ধ করে রাখে। এ সময় বিক্ষুব্দ নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদের প্রধান নিরাপত্তা গেইট বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেয় ও যানবাহন ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। এরপর মাগরিবের নামাজের সময় পুলিশ পাহারায় সভাপতি সম্পাদক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আবারো সভাপতি জাফর আহম্মদ চৌধুরীর কাদরা গ্রামস্থ বাস ভবনে করণীয় বিষয় নিয়ে আবারো আলোচনায় বসে। এবং সর্বসম্মত সিন্ধান্ত অনুয়াই লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিককে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেন।